সি প্রোগ্রাম এর ডাটা টাইপ ও ভ্যারিয়েবল

আজকে আমরা দেখবো সি প্রোগ্রাম এর ডাটা টাইপ ও ভ্যারিয়েবল কিভাবে কাজ করে। তাহলে চলো শুরু করা যাক।

ডাটা টাইপ

সি প্রোগ্রাম সাধারণত চার ধরণের ডাটা টাইপ সাপোর্ট করে।

  • int: Integer, একটি পূর্ণ সংখ্যা। [এর আকার ৪ বাইট]
  • float: Floating Point, দশমিক যুক্ত সংখ্যা। [এর আকার ৪ বাইট]
  • double: Double-precision floating-point, অনেক বড় সংখ্যা নেয়ার জন্য এই ডাটা টাইপ ব্যবহৃত হয়। [এর আকার ৮ বাইট]
  • char: Single Character, কোনো বর্ণ নেয়ার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। [এর আকার ১ বাইট]

ভ্যারিয়েবল

ভ্যারিয়েবল হলো মেমোরিতে বরাদ্দ কৃত জায়গা। যেখান থেকে তথ্য নিয়ে প্রোগ্রাম কাজ করে আবার নতুন তথ্য রাখতে পারে।

সাধারণত ভ্যারিয়েবল দুই ভাবে ডিক্লেয়ার করা যায়। ১: প্রথমে ভ্যারিয়েবল ডিক্লেয়ার করে পরে মান দেয়া। এই ক্ষেত্রে কয়েকটি ভ্যারিয়েবল একসাথে কমা দিয়েও ডিক্লেয়ার করা যায়।

int my_variable, your_variable;
my_variable = 575;
your_variable = 686;

২. ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করার সময় ই মান দিয়ে দেয়া।

int my_variable = 575;

বিভিন্ন ভ্যারিয়েবল এর ব্যবহার নিচের কোডটি দেখলেই বুঝতে পারবে।

#include <stdio.h>
int main (){
int a, b;
float weight = 59.55;
char letter = 'S';
a = 3;
b = 8;
int c = a + b;

printf("%d \n", c);
printf("%f \n", weight);
printf("%c \n", letter);

return 0;
}

এখন এই প্রোগ্রামটি তোমার কম্পাইলারে লিখে রান করে ফেলো।

মোবাইলে রান করতে এই লেখাটি দেখো স্মার্টফোনে প্রোগ্রামিং কিভাবে করবো?

কম্পিউটারে রান করতে এই লেখাটি দেখো কোড ব্লকসে হ্যালো ওয়ার্ল্ড

আউটপুট নিচের ছবির মতো হবে আশাকরি।

আউটপুট

11 হলো যোগফল।

59.54999 হলো দশমিক সংখ্যা, float সব সময় কাছাকাছি মান দেখায়। তবে ফাংশন দিয়ে তা নির্দিষ্ট করে দেয়া যায়।

S হলো আমাদের ক্যারেক্টার।

এই প্রোগ্রামে নতুন কিছু বিষয় আছে। প্রথম হলো S এর দুই পাশে সিঙ্গেল কোট ‘ ‘ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি সকল ক্যারেক্টার এর জন্য বাধ্যতামূলক। তবে তুমি চাইলে ডাবল কোট ও ” ” ব্যবহার করতে পারবে।

দ্বিতীয়: \n ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাকস্লাশ n ব্যবহার করলে একটি নতুন লাইন তৈরী হবে। যেমনটি আমরা এন্টার চাপ দিলে হয় কোনো কিছু লেখার সময়। আবার তুমি যদি চাও তোমার আউটপুট লেখাটি বাম পাশ থেকে এক ট্যাব পরিমান দূরে থাকবে তাহলে তুমি \t ব্যবহার করতে পারো। নিচের উদাহরণটি দেখো।

#include <stdio.h>
int main (){
int a, b;
float weight = 59.55;
char letter = 'S';
a = 3;
b = 8;
int c = a + b;

printf("\t %d \n", c);
printf("\t %f \n", weight);
printf("\t %c \n", letter);

return 0;
}
\t এর জন্য লেখা গুলো একটু দূর থেকে শুরু হয়েছে। এই দূরত্ব টুকু হলো এক ট্যাব এর সমান। যেমনটি হয় কম্পিউটারের ট্যাব বাটন চাপ দিলে।

আশাকরি এইটুকু বুঝতে পেরেছো। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে তাহলে কমেন্টে জানাও।